বৃহস্পতিবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২২

 

আপনি মুসলিম হলে অবশ্যই পড়া উচিত 

মুহতারাম.....

শ্রদ্ধীয় দ্বীন দরদী মুসলিম ভাই ও ভগ্নিগণ। আপনারা সকলেই অবগত যে, বর্তমানে বাংলাদেশে ইলমে নববীর এক মাত্র ধারক বাহক হলো কওমী মাদ্রাসা সমূহ। আর আপনারা একমাত্র এ কথাও জানেন যে। এ সকল কওমী মাদ্রাসা সমূহ ওস্তাদ ও ছাত্রদের বড় ধরনের ত্যাগ - তিতিক্ষা ও কুরবানীর মাধ্যমে এবং আল্লাহর প্রেমিক ও জান্নাতের আশাবাদী মুসলিম জনসাধারণের সহযোগিতায় পরিচালিত হয়ে আসছে। অর্থ অভাব অনাটন এই সকল মাদরাসার বিরাট সমস্যা, তার অন্যতম কারণ হল-
১) এ সকল প্রতিষ্ঠানের নিদ্রাষ্ট কোন আয়ের উৎস নেই
২) সকল প্রকার সরকারী আর্থিক সহযোগিতা মুক্ত 
৩) এখানে ধনী গরীব সর্ব স্তরের ইলমে পিপাসু ছাত্রদের ইলম পিপাসা নিবারন করতে গিয়ে তাদের ভরণ পোষন শিক্ষা ও আবাসন সব কিছু
ব্যায় মাদরাসাকে বহন করতে হয়।
এই অর্থের যোগান আল্লাহ তা আলা তার নেককার পরহেজগার মুমিন বান্দাদের দান অনুদানের মাধ্যমেই করে থাকেন। তাই ইলমে নবীর নিঃস্বার্থ খাদেম, ওস্তাদ ও ছাত্রগণ যে ভাবে জান ও মাল নিয়ে এগিয়ে আসতে পারে। আমাদের সামনে একথা এখন দিবা লোকের ন্যায় সুস্পষ্ট যে, এই সকল মাদ্রাসা সমূহ নিবেদিত প্রাণ ওস্তাদ, পরিশ্রমী ছাত্র ও দ্বীন দরদী স্বচ্ছল মুসলিম জনগণের সমন্বিত প্রচেষ্টায় পরিচালিত হয়ে থাকে। 
তাই দ্বীন দরদী স্বচ্ছল মুসলিম ভাই বোনদের স্হায়ী ভাবে মাদরাসার সম্পৃক্ত করার লক্ষে ৩১৩ জনের আজীবন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করার মহতী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। 

"" কেন ৩১৩ "সংখ্যা" "" "

মানব জাতির ইতিহাসের ৩১৩ সংখ্যাটি সব ঘটনাবলীর সাথে জড়িত যা বৈচিত্র্যময়, বিস্ময়কর, প্রেরণা সৃষ্টিকারী রহস্যপূর্ণ, বরকত ও বৈশিষ্ট্যপূর্ণ। তাই এক নজরে বরকতপ্রাস্ত ৩১৩ জনের বিভিন্ন ঘটনাবলী নিম্নে উল্লেখ করা হল।
১) ইসলামের বিজয়ের সূচনা বরকতপ্রাংগন থেকেই। আর সেখানে শরীক সাহাবা দের সংখ্যা ৩১৩ ছিল।
যাদের ব্যাপারে হুজুর (সাঃ) এরশাদ করেন আল্লাহ তা আলা তোমাদের অতীত ও ভবিষ্যতের সব গুনাহ মাফ করে দিয়েছেন। এদের কে বদরের সাহাবী বলা হয়।
২) আল্লাহ তা আলার প্রিয় বান্দা ও মনোনীত বাদশাহ হযরত তালুতের বিজয় অভিযানে সাথীগণের সংখ্যা ছিলেন ৩১৩ জন ছিল।
৩) হযরত ইব্রাহীম (আঃ) এর সাথী ছিলেন ৩১৩ জন।
৪) আল্লাহ তা আলার প্রেরিত লক্ষাধিক পয়গাম্বরগণের মধ্যে যারা নতুন শরীয়ত নিয়ে প্রেরিত হয়েছিল তাদের সংখ্যা ছিল ৩১৩ জন।
৫) দুনিয়া ধংস লগ্নে শান্তির প্রতীক, দ্বীন ইসলামের সর্ব শেষ পতাকা উত্তোলনকারী ইমাম মাহদী (আঃ)  এর মূল সহযোগি হবে ৩১৩ জন।
ইসলামের ইতিহাসে ৩১৩ একটি বরকতপূর্ণ সংখ্যা এনেছে পৃথিবীতে বিবর্তন, প্রতিষ্ঠা করেছে সত্য ও ন্যায়ের শান্তিময় পরিবেশ।
তাই এই সংখ্যা এক দিকে যেমন হয়েছে উজ্জ্বল ইতিহাস, তেমনি এ সংখ্যায় রয়েছে প্রতি যুগে যুগে মুমিনের প্রেরণা।
আল্লাহ তা আলা ঐ সকল মাকবুল বন্দাগণের সেই বরকতপূর্ণ সংখ্যা ৩১৩  নির্ধারণ করা হয়েছে। আল্লাহ তা আলা ও তার প্রিয় হাবীব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সন্তুষ্টি লাভে ধন্য হওয়ার লক্ষে শানে মদিনা নূরানী হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিম খানা মাদ্রাসা এর শুভাকাংকি ও সহযোগিদের সংখ্যা অবশ্যই অপ্রতুল্য।
কিন্তু আমরা এ বরকতময় সংখ্যাকেই ইনশাআল্লাহ (এলাকা ভিত্তিক হলেও) বজায় রাখবো।

"""“"" ৩১৩""" সদস্য হওয়ার নিয়মাবলী।

১) মাসিক যে কোন পরিমান দান নিয়মিত ভাবে দিয়ে যাওয়া।
২) যে কোন ব্যক্তি নিজ নামে কিংবা পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নামে তথা পিতা মাতা বা মুরুব্বিদের নামে সদস্য বই নেওয়া যেতে পারে। 

    """""সদস্যগণের প্রতি আবেদন """""""
   
১) এককালীন দান ও মাসিক দান যথা সময়ে নিজ দায়িত্বে আদায় করে নেওয়া। 
২) প্রতিষ্ঠানের দাওয়াতে ও পরামর্শ সভায় উপস্থিত থেকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া। আপন প্রতিষ্ঠান মনে করে সব সময় খোজ খবর নেওয়া। 
৩) নিজ আত্মীয় _স্বজন ও বন্ধু বান্ধবদের আর্থিক সহযোগিতার জন্য উদ্ভুদ্ব করা  এবং নিশ্চিত সওয়াবের ভাগী হওয়ার চেষ্টা করা। 
৪) পূর্বে স্হায়ী কোন সদস্য ভাইয়ের ইন্তেকালের পর তারই আপন জনের মধ্য হতে তার স্হান পূরণের সচেষ্ট হওয়ার। 

       "" "" "" "" "" দান সদকার কিছু ফায়দা "" "" "" "" "" 

পরকালের ফায়দাঃঃ

১) দানই হলো আখেরাতের সঞ্জয়। 
২) দান সদকা জাহান্নামের আগুন থেকে দাতা কে বাচাঁয়। 
৩) দান সদকা আল্লাহর ত্রোদের আগুন নিভায়। 
৪) দান সদকা কবরে প্রশান্তি আনে। 
৫)দান সদকা মুমিনের জন্য কেয়ামতের উত্তপ্ত ময়দানে ছায়াদানকারী। 
৬) দান সদকারীকে আল্লাহ তা আলা ক্ষমা করে দেন। 

"" "" "“" “পার্থিব ফায়দা "" "" "" "

১) দান সদকা করলে ধন সম্পদের ক্ষয় ক্ষতি হয় না। 
২) দান সদকা অপমৃত্যু ও অপঘাতে মৃত্যূ প্রতিরোধ করে। 
৩) বিপাদ আপদ বালা মুছিবত দান সদকার প্রাচীর অতিত্রুম করতে পারে না। 
৪) দান সদকা করলে সম্পদ বৃদ্ধি করে। 
৫) দান সদকা আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। 
৬) দান সদকা দাতার হায়াত বৃদ্ধি করে। 

বিঃ দ্রঃ __মাদ্রাসার স্হায়ী সদস্য হিসেবে মাদ্রাসার সুষ্ট পরিচালনা ও দ্বীনের হেফাজতের জন্যে নিজ নিজ শক্তি ও সামর্থ অনুযায়ী যাকাত, ফেতরা, মান্নত, এককালীন দান, লিল্লাহ বোডিং, নির্মাণ খাতে অকাতরে দানের হাত বাড়িয়ে দিন। 

                                    আমিন






বুধবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২২


 মাহে রমজানের হাদিয়া 

 মালিক তুমি মনের আশা টুকু কবুল করিও

একদিন হয়ত সুন্দর হবে আজকের শানে মদিনা

কিন্তু সে দিন হয়ত মালিকের ডাকে সারা দিয়ে চলে যাবো

আর সেই সময়ে নাজাতের ফয়সালা করে দিও মালিক

পরিক্ষার প্রশ্ন পি এল পি ফাইল ফ্রী ডাউনলোড

https://drive.google.com/file/d/18mfLXbeLsG-FbbH4BKt3MgHHWEAtvF4g/view?usp=drivesdk